, ,
, ,

এ সম্পর্কিত আরও খবর

শিমুলিয়া ভূমি অফিসে কাউসারের প্রভাব, নেপথ্যে কার শক্তি?

আশুলিয়া প্রতিনিধি: আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নামজারি, খারিজ ও খাজনা সংক্রান্ত সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে সরকারি ফির বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন ভূমি অফিসের নায়েব নাসিরের সহযোগী হিসেবে পরিচিত উমেদার কাউসার। ভুক্তভোগী ও স্থানীয়দের অভিযোগ, নামজারি-খারিজের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করে দেওয়ার কথা বলে সেবাপ্রার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এক লাখ থেকে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থ লেনদেনের অভিযোগও রয়েছে। এসব অর্থ লেনদেনে কাউসারের মাধ্যমে একাধিক ব্যক্তি ও কথিত দালাল জড়িত বলেও অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

অভিযোগ রয়েছে,কাউসারের অধীনে স্বপনসহ চার থেকে পাঁচজন সহযোগী নিয়মিতভাবে সেবাপ্রার্থীদের কাগজপত্র সংগ্রহ,আবেদন সংক্রান্ত কাজ ও বিভিন্ন ধরনের সমন্বয় করেন। এমনকি কাউসার নিজস্ব আইডি ব্যবহার করে ভূমি-সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেন বলেও স্থানীয়দের দাবি। এদিকে সরকারি রাজস্ব যথাযথভাবে পরিশোধ না করেই কোনো কোনো ক্ষেত্রে নামজারি-খারিজের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র, অনলাইন কার্যক্রম এবং সরকারি রাজস্ব জমার হিসাব যাচাই করা প্রয়োজন।

স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, কাউসারের মাধ্যমে প্রতিদিন উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থের লেনদেন হয়ে থাকে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এবং অর্থের প্রকৃত উৎস সম্পর্কে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট নথি ও হিসাব তদন্তের মাধ্যমে বিষয়টি পরিষ্কার হতে পারে বলে মনে করছেন তারা।
কাউসারের প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে ভূমি অফিসের নায়েব নাসিরের ভূমিকা নিয়েও। অভিযোগের বিষয়ে নায়েব নাসিরের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি কাউসারের ভূমিকা সম্পর্কে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য না দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যান বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে স্থানীয়দের প্রশ্ন-শিমুলিয়া ভূমি অফিসে কাউসারের এত প্রভাবের নেপথ্যে কার শক্তি কাজ করছে?

এছাড়া কাউসারের নামে কথিত বহুতল ভবন ও মিরপুরে ফ্ল্যাটের মালিকানা এবং এসব সম্পদের অর্থের উৎস নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন রয়েছে। তবে এ সংক্রান্ত তথ্যের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে এসব অভিযোগের বিষয়ে কাউসারের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি এখানে আর বেশি দিন থাকব না। আমি নাসিরের সহযোগী হিসেবে কাজ করি। তিনি বললে আমি এখান থেকে চলে যাব।”সেবাপ্রার্থীদের দাবি, অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে নামজারি-খারিজের নথি, সরকারি রাজস্ব জমার হিসাব এবং সংশ্লিষ্ট অনলাইন কার্যক্রম যাচাই করা হোক। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা।

শিমুলিয়া ভূমি অফিসে কাউসারের প্রভাব, নেপথ্যে কার শক্তি?

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Payment Due

Clear Your Payment for Accessing Control

Contact wephic for More Details