নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকার ‘কিং’ খ্যাত, পরোপকারী ও মানুষের আপদ-বিপদে পাশে দাঁড়ানো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস এমপি জাতীয় সংসদে তাঁর দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করেছেন।
আজ বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনে নিজ কার্যালয়ে গিয়ে তিনি নিয়মিত দাপ্তরিক কাজ শুরু করেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে সাধারণ মানুষ, দলীয় নেতাকর্মী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য মির্জা আব্বাসের একটি বিশেষ পরিচিতি রয়েছে। ব্যক্তিগত ও সামাজিক নানা সংকটে আর্থিক সহযোগিতা থেকে শুরু করে বিভিন্নভাবে মানুষের পাশে থাকার কারণে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের কাছে তিনি একজন পরোপকারী নেতা হিসেবে পরিচিত।
জাতীয় সংসদে নিজ কার্যালয়ে প্রথম দিনের কার্যক্রমে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন এবং দাপ্তরিক কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। একই সঙ্গে সংসদীয় কার্যক্রমকে সামনে রেখে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও সম্পন্ন করেন।
মির্জা আব্বাস আজ জাতীয় সংসদের অধিবেশনেও অংশ নেবেন। সংসদে তাঁর উপস্থিতি এবং সক্রিয় ভূমিকা নিয়ে বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে।
রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন মির্জা আব্বাস বিএনপির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। রাজধানী ঢাকার রাজনীতিতে তাঁর দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক ভূমিকা এবং দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তাঁকে একটি স্বতন্ত্র অবস্থানে নিয়ে গেছে।
দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, রাজনীতির পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনেও মানুষের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতার কারণে মির্জা আব্বাসের প্রতি সাধারণ মানুষের একটি আলাদা আস্থা রয়েছে। বিশেষ করে অসুস্থতা, দুর্ঘটনা, পারিবারিক সংকট কিংবা আর্থিক সমস্যায় পড়া মানুষের পাশে বিভিন্ন সময়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার কারণে তাঁর এই মানবিক পরিচিতি তৈরি হয়েছে।
জাতীয় সংসদে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরুর মধ্য দিয়ে মির্জা আব্বাসের রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে নতুন একটি অধ্যায়ের সূচনা হলো। সংসদীয় কার্যক্রমে তিনি অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতা কাজে লাগিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন—এমন প্রত্যাশা করছেন দলীয় নেতাকর্মীরা।
আজকের সংসদ অধিবেশনে অংশ নিয়ে তিনি দেশের চলমান বিভিন্ন বিষয়, জনগণের প্রত্যাশা এবং রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে তাঁর দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখবেন বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।









