স্টাফ রিপোর্টার : সিরাজগঞ্জ জেলা পূজা উদযাপন কমিটির উদ্যোগে সার্বজনীন শারদীয় দুর্গোৎসব-২০২৬ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য বিজয়া শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শোভাযাত্রার শুভ উদ্বোধন করেন সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য রুমানা মাহমুদ। এ সময় ধর্মীয় সম্প্রীতি, পারস্পরিক সহাবস্থান এবং সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য সাইদুর রহমান বাচ্চু। আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি নাজমুল হাসান তালুকদার রানা ও অমর কৃষ্ণ দাস, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ভিপি সামীম খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা নোমান আলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ সুইট ও আলমগীর আলম এবং স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন রাজেশসহ জেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। সিরাজগঞ্জ জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি সন্তোষ কুমার কানু ও সাধারণ সম্পাদক সনজিত কুমারও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
শুভ উদ্বোধনী বক্তব্যে রুমানা মাহমুদ বলেন, “ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার।” তিনি বলেন, সিরাজগঞ্জে হিন্দু-মুসলিম সবাই মিলেমিশে বসবাস করবেন এবং প্রত্যেকে নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে পালন করবেন—এটাই প্রত্যাশা। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপনের জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেন, সিরাজগঞ্জ জেলায় এ বছর ৫৮৭টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপিত হয়েছে সিরাজগঞ্জ জেলায় কোথাও কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি ছাড়াই শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পূজা সম্পন্ন হয়েছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের সহযোগিতা এবং সংশ্লিষ্ট সবার প্রচেষ্টায় পূজামণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে।
জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি সন্তোষ কুমার কানু ও সাধারণ সম্পাদক সনজিত কুমার দুর্গাপূজা উদযাপনে সার্বিক সহযোগিতার জন্য বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, জেলা বিএনপির সভাপতি রুমানা মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু এবং জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাঁরা বলেন, সবার সহযোগিতায় এবার শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন সম্ভব হয়েছে।
বর্ণাঢ্য বিজয়া শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে আয়োজনে ধর্মীয় আবহ, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও উৎসবের আনন্দ ফুটে ওঠে। আয়োজকেরা ভবিষ্যতেও এ ধরনের সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের পরিবেশ বজায় রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।









